ভালবাসা ৩

আজ নীরার বিয়ে। টেবিলের ওপর বিয়ের কার্ডটা আমার দিকে তাকিয়ে উপহাস করছে যেন।
বাসায় খাওয়ার মত কিছু নেই, রান্না হয়নি। পকেটে একটা টাকাও নেই।

অসঙ্গায়িত সুখ

সুখের সংজ্ঞা কি ?
আর যাই হোক, এখন আমরা সুখ বলতে যা বুঝি তা কোনভাবেই সুখ না। লোভকে আমরা সুখ দিয়ে সংজ্ঞায়িত করি। এটা নেই, সেটা নেই; এটা পেলে সুখি হব, ওটা পেলে সুখি হব এই আমাদের ধারণা। মস্ত বড় ভুল। আসলেই কি আমরা সুখি হই ? নাকি খুশি হই ?! সুখি হওয়া আর খুশি হওয়া এক জিনিস না। সুখ চিরস্থায়ী, খুশি সাময়িক অনুভূতি।

ভালবাসা ২

- আচ্ছা, যে মানুষটা তোমাকে পাগলের মত ভালবাসে; তোমার জন্য যে সব করতে রাজি- তাকে ভালবাসোনা কেন ?
- "ভালবাসা তো আর একপাক্ষিক না। আমারও তাকে পছন্দ হতে হবে। সে ভালবাসলেই যে আমাকে ভালবাসতে হবে সেরকম তো কোন নিয়ম নেই।"

ভয়

একটা চোখ খোলা ছিল। ডান চোখ না বাম চোখ বলতে পারি না। অনেক সকাল হয়ে গেছে। নিশ্চিত ১০ টা বাজে। একটা ক্লাস অলরেডি মিস। ভার্সিটি পৌঁছতে পৌঁছতে আরও একটা ক্লাস মিস হবে। রাত করে ঘুমানোর এই একটা বড় সমস্যা।
ঘড়ি দেখার চেষ্টা করলাম। কি ব্যাপার !! আমি নড়াচড়া করতে পারছিনা কেন? একটা চোখ বন্ধ কেন? এদিক ওদিক তাকানোর চেষ্টা করছি। এক চোখে বেশি দূরে দেখা যায় না।

হিমু

রাত প্রায় একটা, বহুদিন পর রাস্তায় দেখা যাচ্ছে হিমুকে।

ভালবাসা ১

আমার কাছে ভালবাসার কোন দেশ-কাল-পাত্র নেই। আমি কোন একজন মানুষকে ভালবাসি তাই বলে তার সব কাজ ভালবাসতে হবে অথবা একজন মানুষের কাজ ভালবাসি তাই বলে সেই মানুষটাকে ভালবাসতে হবে এরকমটা না। ভালবাসার ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক অনেক বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া উচিত, আবার অনেক কিছুকে গুরুত্ব না দিলেও চলে।

Sweet Memories- Part Two

মারজান আপুকে ‘টারজান আপু’ বলে ক্ষেপাইতাম। চোখ পাকিয়ে তাড়া করত। আদর করত আমাদেরকে। পূরবীর ভাই রনি ভাইয়াকে ভয় পেতাম, যেই জোড়ে বল করে; গায়ে লাগলে চিৎপটাং। ওনার থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। ক্রিকেটার না এরকম মানুষও যে এত জোড়ে বোলিং করতে পারে সেটা ওনাকে দেখেই বিশ্বাস হয়েছিল।
ক্রিকেটের প্রেমে পড়ার আগে আমার অন্যতম প্রিয় খেলা ছিল ‘দড়িলাফ’। দিব্যি লাফাতাম। একবার তো ক্লাসের মেয়েদের চ্যালেঞ্জ করে বসলাম, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দড়িলাফে যদি মেয়েদের সাথে ছেলেরাও অংশ নিতে পারে তাহলে আমিই ফার্স্ট হব। বৃষ্টি ছাড়া ফুটবল খেলা হত না। আমাদের মাঠটা উঁচুনিচু- এবড়োথেবড়ো ছিল। ফুটবল খেলার উপযোগী না।